চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে করোনাই এক এস আইয়ের মৃত্যু আরো ১জন আক্রান্ত

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি,

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ইন্সপেক্টর গোয়েন্দা সুমন বনিক করোনা আক্রান্ত। জানা যায়, সুমন বনিক ও এস আই একরাম তাঁরা দু’জনে গ্রেপ্তারকৃত ৪ ডাকাতের ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিতে চট্টগ্রাম আদালতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সংবাদ আসে আদালতে কর্মরত পুলিশের করোনা রিপোর্টে পজেটিভ রেজাল্ট এসেছে। চট্টগ্রাম থেকে আসার পর এ পুলিশ কর্মকর্তারা সংবাদ পান যে, চট্টগ্রাম আদালতে কর্মরত পুলিশের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ।

 

কয়েকদিন পর সীতাকুণ্ড থানার এ গোয়েন্দ কর্মকর্তা সর্দি, কাশি ও গায়ে জ্বরে ভূগছিলেন। তখন থেকে তিনি স্বেচ্ছায় হোমকোয়ারেন্টে চলে যান। একই ভাবে এসআই একরামও সর্দি, কাশি সহ গায়ে জ্বরে ভূগছিলেন। বর্তমানে সুমন বনিক মোটামুটি ভালো থাকলেও এসআই একরাম গত ৫ জুন দিবাগত রাতে প্রচন্ড শ্বাসকষ্টে ভূগছিলেন। এসআই টিবলু মজুমদার বলেন, রাতের যেকোন সময় তিনি বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

সীতাকুণ্ড উত্তর বাজার ভূইয়া টাওয়ারে বাসায় তিনি একা থাকতেন। গতকাল সুমন বনিকের করোনা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে পজেটিভ এসেছে। তবে সীতাকুণ্ড থানার ওসি ফিরোজ মোল্লা এসআই একরামকে করোনার নমুনা পরীক্ষা করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নমুনা পরীক্ষা দেওয়ার পূর্বেই শ্বাসকষ্টে মৃত্যু করণ করলেন। সীতাকুণ্ড বাসীকে করোনা আক্রান্ত থেকে বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা রাতদিন শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাদেরই একভাই পুলিশ কর্মকর্তা সর্দিকাশি, গায়েজ্বর সহ শ্বাসকষ্টে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে মারা গেলেন।

বর্তমানে সীতাকুণ্ড উপজেলার সর্বত্রই করোনা মহামারির ভয়াবহ আতংকে কাঁপছে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তুলতেছে এই মুহূর্তে থেকে  সীতাকুণ্ড থানা লকডাউন করা অত্যন্ত জরুরী । তা না হলে সীতাকুন্ড বাসীকে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে।